ভোলায় লঞ???চ মালিকদের অনিয়মের বির???দ???ধে দায়ের করা হলো মামলা

by  ডেস???ক রিপোর???টার | | Sunday 19th November 2017 |06:06 PM

ভোলায় লঞ???চ মালিকদের অনিয়মের বির???দ???ধে দায়ের করা হলো মামলা

রোববার ভোলার ব্যবসায়ী মো. রুহুল আমিন কুট্টি বাদী হয়ে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল আদালতে কর্ণফুলী-৯, ১০, ১১, এমভি ভোলা, ক্রিস্টাল ক্রুজ, গ্লোরী অব শ্রীনগর, এমভি বালিয়া লঞ্চের মালিকদের বিরুদ্ধে যাত্রীদের কেবিন বণ্টনে অনিয়ম, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও রোটেশন বাতিলের জন্য মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদী পক্ষকে “কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না” মর্মে সমন জারি করেন।মামলা সূত্রে জানা যায়, বিআইডব্লিউটিএ’র নির্দেশনা অনুযায়ী ভোলা থেকে ঢাকা নৌ-রুটে প্রতিদিন চারটি করে লঞ্চ চলাচল করার কথা থাকলেও মালিক পক্ষ রোটেশনের নামে ভোলার ২৫ লাখ মানুষকে জিম্মি করে ২টি করে লঞ্চ চালু রাখছেন।এতে করে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি ও আমাদানি-রফতানিকারক ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, দু’দিন আগে কেবিন বুকিং দিয়েও কেবিন পাচ্ছে না যাত্রীরা।এ ছাড়াও রোটেশনের কারণে ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে উত্তাল নদী পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চগুলো।ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোলা থেকে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হলো নৌ-পথ। এ সুযোগে ভোলার লঞ্চ মালিকরা রোটেশনের নামে যাত্রীদের জিম্মি করে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা রোটেশনের কারণে নিয়মিত পণ্য আমদানি-রফতানি করতে না পারায় ভোলায় সব সময়ই দ্রব্যমূল্য বেশি থাকে। লঞ্চ মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে রোগীরা পর্যন্ত নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে না। এ কারণে বহুবার ভোলার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম মোর্শেদ কিরণ তালুকদার জানান, ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটের লঞ্চ মালিকদের বিরুদ্ধে জাজ অব পিচ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫ ধারায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে। আমরা জবাবের অপেক্ষায় আছি।

মন্তব্য
  1. image
    Aaron Miller

    good
    2 min

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন