রোহিঙ???গাদের ফেরত নেয়ার প???রতিশ???র???তি দিয়েছেন মিয়ানমারের নেত???রী স???চি

by  ডেস???ক রিপোর???টার | | Tuesday 14th November 2017 |08:34 PM

রোহিঙ???গাদের ফেরত নেয়ার প???রতিশ???র???তি দিয়েছেন মিয়ানমারের নেত???রী  স???চি

 প্রায় সাড়ে ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয় । নিজর জীবন বাঁচানোর জন্য তাঁরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল ।অবশেষে তাদের ফিরিয়ে নিবেন বলে আশ্বাস দিলেন সুচি ।তবে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর হওয়ার পরই এ কার্যক্রম শুরু হবে। সম্পন্ন হবে তিন সপ্তাহের মধ্যে। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দিয়ে সেখানকার নেতাদের এ বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। এ বিষয়ে খবর দিয়েছে ফিলিপাইনের ম্যানিলা বুলেটিন ও অনলাইন দ্য ডেইলি ইনকুইরার। তবে এর আগে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যেসব রোহিঙ্গা রাখাইনে তাদের বসবাস ছিল, সরকারের দেয়া প্রমাণপত্র দেখাতে পারবে শুধু তাদেরকেই ফিরে যেতে দেয়া হবে।

এখনও পর্যন্তু মিয়ানমার দৃশ্যত সেই অবস্থানেই আছে। এর আগের এক রিপোর্টে মিয়ানমারের মিডিয়া জানিয়েছিল, এ সংক্রান্ত যে চারটি মূলনীতি রয়েছে ১৯৯৩ সালে সম্পাদিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন চুক্তিতে তা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমার তা পরিবর্তন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ফলে সুচি বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হলেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবেন বলে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাকে সব রোহিঙ্গাই কি ফিরে যেতে পারবে কিনা তা তিনি পরিষ্কার করেন নি। ঘরে আগুন, সামনে-পিছনে বন্দুক তাক করা, এখানে ওখানে ধর্ষণের বিভৎসতা ।এর মধ্যে রোহিঙ্গারা প্রাণপণ ছুটে পালিয়েছেন বাংলাদেশে। তাদের পক্ষে কোনো প্রমাণপত্র সঙ্গে করে আনা সম্ভব ছিল কিনা তা একটি প্রশ্নসাপেক্ষ ব্যাপার। ফলে যাদের সঙ্গে কোনো প্রমাণপত্র নেই তাদের কি হবে

এ বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, সোমবার আসিয়ানের অজ্ঞাত দু’নেতার সঙ্গে বিরল এক বৈঠক করেন সুচি। তাতে ওই দু’নেতা রোহিঙ্গা ইস্যুটি উত্থাপন করেন। তার প্রেক্ষিতেই সুচি ওই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দুর্দশার বিষয়ে এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে মিয়ানমার। অং সান সুচিকে উদ্ধৃত করে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র হ্যারি রক রক বলেছেন, আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত লোকদের (আইডিপি) প্রত্যাবর্তন বা ফিরিয়ে নেয়ার কাজ শেষ হবে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরের তিন সপ্তাহের মধ্যে। এ বিষয়ে আসিয়ান নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন সুচি। সংবাদ সম্মেলনে রক রক বলেন, আমি নিশ্চিত রোহিঙ্গা ইস্যতে আলোচনা হয়েছে। এই প্রসঙ্গটি দু’সদস্য দেশ উত্থাপন করেছিল। তবে ওই দুটি দেশ বা তাদের নেতাদের নাম প্রকাশ করেন নি তিনি। জানিয়েছেন, সুচির সঙ্গে তাদের ওই বৈঠক হয়েছে ম্যানিলার ফিলিপাইন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে। সেখানে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলেছে মিয়ানমার। বিশেষ করে তারা বলেছে, তারা জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আছে। পাশাপাশি তারা মানবিক সহায়তাকে স্বাগত জানায়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশন আগস্ট মাসে এর আগে সংঘটিত রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব দেয়ার ও তাদের অবাধে চলাচল করতে দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এ রিপোর্ট প্রকাশের পর ২৫ শে আগস্ট রাখাইনে সর্বশেষ সহিংসতা শুরু হয়। 

মন্তব্য
  1. image
    Aaron Miller

    good
    2 min

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন