A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: mysqli::mysqli(): (HY000/1045): Access denied for user 'impressnews24_admin'@'localhost' (using password: YES)

Filename: front/details2.php

Line Number: 57

Backtrace:

File: /home/thenews71/public_html/application/views/front/details2.php
Line: 57
Function: mysqli

File: /home/thenews71/public_html/application/controllers/News.php
Line: 46
Function: view

File: /home/thenews71/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once

১২৬ হাজার ডলারে বিক???রি হয় টাইটানিকের চিঠিটি

by  ডেস???ক রিপোর???টার | | Monday 23rd October 2017 |11:28 PM

১২৬ হাজার ডলারে বিক???রি হয় টাইটানিকের চিঠিটি

 ১২৬ হাজার ডলারে বিক্রি হয় টাইটানিকের চিঠিটি 

টাইটানিক বৃহদাকার সামুদ্রিক জাহাজ । টাইটানিক এই নামটি কারো জানা নেই এমন মানুষ পাওয়া বিরল । জাহাজটি  ১৫ এপ্রিল,১৯১২ সালে আইসবার্গের সঙ্গে সংঘর্ষে ডুবে যায়। ঐ সময়ের সবচেয়ে বৃহৎ আধুনিক ও বিলাসবহুল যাত্রীবাহী জাহাজ।

ডুবে গেলেও এর খন্ড খন্ড অনেক মুল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায় । কয়েকদিন আগে এর চাবি নিলামে উঠে ।গতকিছুদিন আগে উঠে এর চিঠি রেকর্ড দামে বিক্রি হয় সেই চিঠিটি।

টাইটানিকের নোটপেপারে লেখা একমাত্র ওই চিঠিটি উত্তর আটলান্টিকের পানিতে ডুবে থাকলেও ভালো অবস্থাতেই ছিল।
ব্রিটিশ এক নাগরিকের কাছে এটি বিক্রি করা হয়, ওই ব্যক্তি টেলিফোনে নিলামে অংশ নিয়েছিলেন।
নিলামদার অ্যান্ড্রু অ্যালড্রিজ বলছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্রিটিশ ক্রেতা "ইতিহাসের অভিনব সব জিনিস সংগ্রহে রাখেন"।
১৩ই এপ্রিল ১৯১২ অর্থাৎ জাহাজটি ডুবে যাবার আগের দিন, টাইটানিকের যাত্রী আমেরিকান ব্যবসায়ী অস্কার হলভারসন ওই চিঠিটি লিখেছিলেন তাঁর মাকে ।
মি: হলভারসন ও তাঁর স্ত্রী ম্যারি সাউদাম্পটন থেকে টাইটানিকে উঠেছিলেন, তাঁদের বাড়ি নিউইয়র্কে ফিরে যাবার কথা ছিল তাঁদের।
মায়ের কাছে লেখা মি: হলভারসনের চিঠিতে ছিল টাইটানিক ও এর যাত্রীদের কিছু বর্ণনা।
"জাহাজটা বিশাল বড় এবং দেখতে রাজকীয় হোটেলের মতো। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি জন জ্যাকব অ্যাস্টর ও তাঁর স্ত্রীও রয়েছে আমাদের সাথে। কোটি কোটি টাকা থাকলেও তিনি দেখতেআর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই। ডেকের বাইরে তিনি আমাদের সাথে বসে আছেন"।
টাইটানিক ডুবে যাবার ফলে যে পনেরোশো মানুষের মৃত্যু হয় তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মি: হলভারসন। জেজে অ্যাস্টর ও তাঁর স্ত্রীও মারা যান।
তবে ম্যারি হলভারসন বেঁচে গিয়েছিলেন।
তাঁর স্বামী অস্কার হলভারসনের মৃতদেহ যখন উদ্ধার করা হয় তখন তাঁর পকেটে চিঠিটা পাওয়া যায়।
চিঠিটার মধ্যে এখনও সাগর ও পানির চিহ্ন রয়েছে।
মি: হলভারসনের ওই চিঠি তাঁর মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল।
নিলামদার মি: অ্যালড্রিজ বলছেন "সম্ভবত এটাই জাহাজের কোনো যাত্রীর লেখা একমাত্র চিঠি যেটা তাঁর মৃত্যুর কারণে পোস্ট না করা হলেও প্রেরকের কাছে পৌঁছেছে"।

মন্তব্য
  1. image
    Aaron Miller

    good
    2 min

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন